রবীন্দ্রমানসে প্রাণীজগৎ - ড. কেতকী সর্বাধিকারী
রবীন্দ্রমানসে প্রাণীজগৎ গ্রন্থের বিশেষত্ব
সমগ্র বিশ্বজুড়ে বৈচিত্র্যময় প্রাণীদের জগৎ। কবির মানসে এরা এসেছে নানা ভাবে নানা রূপে। যা কখনো বা বৈজ্ঞানিক বিচারধারার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কখনো বা কল্পনার হাত ধরে।
অধ্যাপিকা ড. কেতকী সর্বাধিকারী মহাশয়ার ডি. লিট. গবেষণার বিষয়বস্তু ‘রবীন্দ্রসাহিত্যে প্রাণী ও কবির প্রাণীপ্রীতি’ কে নিয়ে বর্তমান গ্রন্থটি নতুন কলবরে হয়েছে ‘রবীন্দ্রমানসে প্রাণীজগৎ’। যদিও দু’য়ের তত্ত্ব ও তথ্যের, এবং পরিবেশনের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে । দীর্ঘ দশ বছরের পরিশ্রমে অনেক গ্রহণ-বর্জনের মধ্যে দিয়ে সমস্ত বিষয়টি অধ্যাপিকা ড. কেতকী সর্বাধিকারী মহাশয়ার নিজস্ব বিচারধারায় উপস্থাপিত হয়েছে। রবীন্দ্রসাহিত্যে বিভিন্ন ধরণের প্রাণীর উপস্থিতির যে বিশ্লেষণ, বর্গীকরণ ও বৈশিষ্ট্যের উপর আলোকপাত করেছেন, অধ্যাপিকা ড. কেতকী সর্বাধিকারী মহাশয়া তাতে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির দিকে লক্ষ্য রাখতে চেষ্টা করেছেন ।
রবীন্দ্র-অনুরাগী গবেষক, পাঠকবৃন্দ ও প্রাণীপ্রেমীদের এই গ্রন্থটি নতুন কিছুর বার্তা এনে দেবে।
এই গ্রন্থটিতে যে বিষয়গুলি রয়েছে তা হল-
প্রাক্কথন:
এই পর্বে অধ্যাপিকা ড. সর্বাধিকারী মহাশয়া রবীন্দ্র-সাহিত্যে প্রাণীজগৎ ও কবির প্রাণীপ্রীতি একটা স্বচ্ছ ধারণা দিয়েছেন।
প্রথম অধ্যায়: পশু
এই অধ্যায়ে প্রাণীবিজ্ঞানের বর্গীকরণ অনুসারে রবীন্দ্রসাহিত্যে উঠে আসে প্রায় উনত্রিশটি স্তন্যপায়ী প্রাণীর সতেরোটি প্রজাতির পরিচয় দিয়েছেন।
দ্বিতীয় অধ্যায়: পাখি
এই অধ্যায়ে ৫৪ রকমের পাখি যারা আমাদের বিশেষ পরিচিত আবার কেউ বা অপরিচিত (বিশেষ করে বর্তমান প্রজন্মের কাছে), রবীন্দ্রনাথের রচনায় নানাভাবে উল্লিখিত হয়েছে তার স্বরূপই তুলে ধরেছেন।
তৃতীয় অধ্যায়: কীট-পতঙ্গ
রবীন্দ্র সাহিত্যে যে ২৭ রকমের কীট-পতঙ্গের কথা পাওয়া যায় তাই এই অধ্যায়ে তুলে ধরেছেন অধ্যাপক ড. কেতকী সর্বাধিকারী মহাশয়া।
চতুর্থ অধ্যায়: জলচর প্রাণী
রবীন্দ্র সাহিত্যে জলজগতের কয়েকটি প্রাণীর প্রসঙ্গ নানাভাবে এসেছে। তাদের মধ্যে যেমন পরিচিত, অতি-পরিচিত আছে তেমন স্বল্প পরিচিতিরাও আছে। কবির রচনায় যে সমস্ত জলচর প্রাণীরা এসেছে তাদের সংখ্যা এগারো এবং শুধুমাত্র মাছেরই উল্লেখ হয়েছে ৫৭ বার। এ ছাড়া বিভিন্ন নামধারী মাছ কথাও এসেছে। এরা ১৩ ধরণের মাছ যা আমাদের অত্যন্ত পরিচিত। এই অধ্যায়ে মাননীয়া অধ্যাপিকা কবির সাহিত্যে উঠে আসে জলচরপ্রাণীর একটা স্বচ্ছ ধারণা তুলে ধরেছেন।
পঞ্চম অধ্যায় : সরীসৃপ
সরীসৃপ শ্রেণীর জীব সাপ, কুমির, কচ্ছপ, টিকটিকি বা গিরগিটি। এরা কবির রচনায় এসেছে যথাক্রমে সাপ ১১৭ বার, কুমির ১৪ বার, টিকটিকি ৭ বার, গিরগিটি ৬ বার অর্থাৎ ১৩ বার আর কচ্ছপ ৫ বার। এই অধ্যায়ে মাননীয়া অধ্যাপিকার আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে এই সমস্ত সরীসৃপ প্রাণীগুলি।
গ্রন্থটি সংগ্রহ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন - 7908836735
গ্রন্থটির পৃষ্ঠা সংখ্যা - ২৫৬
গ্রন্থটির মূল্য - ৪০০ টাকা (২০%ছাড়)

